
মধ্যমগ্রাম হত্যা-কাণ্ডে এবার আরও একটি ‘ছোট ট্রলি’র কথা জানতে পারল পুলিশ
মধ্যমগ্রাম হত্যা-কাণ্ডে নয়া তথ্য! নীল ট্রলির পর এবার আরও একটি ‘ছোট ট্রলি’র কথা জানতে পারল পুলিশ! ওই ট্রলিতে করে পিসি শাশুড়ির দেহ টুকরো করার ‘অস্ত্র’ পাচার করেছিল মা ও মেয়ে। নৃশংস এই খুনের ঘটনায় সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে এমনই তথ্য উঠে এসেছে তদন্তকারীদের হাতে। তবে,সেই ট্রলিটি কী রংয়ের বা কোথায় সেটি ফেলা হয়েছে, সেই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কিছুই জানতে পারেনি পুলিশ। ধৃত আরতি (মা) ও ফাল্গুনীকে (মেয়ে) জেরা করেই এই বিষয়ে তথ্য পেতে চাইছেন তদন্তকারীরা। সেই কারণে ধৃত দু’জনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। খুনের পর নীল ট্রলি ব্যাগে দেহ ভরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ইতিমধ্যে প্রত্যক্ষদর্শী ভ্যান চালক,ট্যাক্সি চালক-সহ কুমোরটুলি এলাকার ছ’জনকে দিয়ে টিআই প্যারেডে পিসি শাশুড়ি সুমিতা ঘোষ খুনে ধৃত ফাল্গুনী ও তাঁর মা আরতিকে চিহ্নিত করানো হয়েছিল। এরপর সোমবার তাঁদের নিজেদের হেফাজতে নিতে বারাসত আদালতের অ্যাডিশনাল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কিংশুক সাধুখাঁর কাছে দশ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন করেছিল মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ। যদিও সাত দিনের পুলিশি হেফাজত মঞ্জুর করেছেন বিচারক। হেফাজতে পেয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ, খুনে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র উদ্ধার, খুনের কারণ-সহ খুনের পরেরদিন অভিযুক্ত মা-মেয়ে ঠিক কী কী করেছিল তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।