
ট্যাংরা-কাণ্ডের পর এবার কসবা, হালতুতে মা-বাবা ও আড়াই বছরের শিশুর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার
ট্যাংরা-কাণ্ডের পর এবার কসবা । হালতুতে একই পরিবারে তিন সদস্যের দেহ উদ্ধার হয়েছে ৷ মৃতদের মধ্যে রয়েছে বাবা মা ও আড়াই বছরের নাবালক ছেলে ৷ এই বিষয়ে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান রূপেশ কুমার বলেন, “কসবা থানা এলাকায় একটি বাড়ি থেকে তিনজনের দেহ পাওয়া গিয়েছে । তাদের দেহগুলি ঝুলন্ত অবস্থায় সেখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে । তাদের হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করা হয় ।” পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতদের নাম সোমনাথ রায় (40), সুমিত্রা রায় (35) এবং তাঁদের আড়াই বছরের ছেলের দেহ উদ্ধার হয়েছে । বাবার সঙ্গে শিশুটির দেহ বাঁধা অবস্থায় মিলেছে ৷ ঘটনার তদন্তে নেমেছে লালবাজারের হোমিসাইড বিভাগের গোয়েন্দারা । স্থানীয় সূত্রে খবর, রায় পরিবারের প্রতিবেশীরাই মঙ্গলবার পুলিশ খবর দেয় ৷ সেই খবর পেয়ে পুলিশ এসে কসবার হালতু থেকে একই পরিবারের তিনজনকে ঝুলন্ত অবস্থায় ঘর থেকে উদ্ধার করে ৷ তাদের হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন । লালবাজারের তরফে জানা গিয়েছে, ঘর থেকে দেহ উদ্ধারের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে যান কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের হোমিসাইডের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা । পাশাপাশি সেখানে যায় কসবা থানার পুলিশ । রায় পরিবার নিজেদের শেষ করে দিতে চেয়েছে তাই এই পদক্ষেপ, নাকি পিছনে অন্য কোনও কারণ আছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ । ইতিমধ্যেই কসবা থানায় তিনটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্তে শুরু হয়েছে । স্থানীয়দের দাবি, ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিল রায় পরিবার ৷ তাদের কিছু ধার দেনা হয়ে গিয়েছিল ৷ সম্প্রতি ওই বাড়িতে নাকি পাওয়াদাররা টাকা চাইতে এসেছিল ৷ ধার দেনার কারণে এই ঘটনা, নাকি নেপথ্যে অন্য কিছু রয়েছে তদন্তে গোয়েন্দারা ৷