```html
Temporary Service Notice

WEBSITE
UNDER MAINTENANCE

We are currently experiencing an internal technical issue with our website.

Our technical team is working to resolve the problem and restore all services as soon as possible.

We sincerely apologize for the inconvenience.
Please check back shortly.
```

আদিবাসী মিছিলের জেরে হাওড়া সেতুতে বন্ধ যান চলাচল, চরম ভোগান্তিতে নিত্যযাত্রীরা

শুক্রবার রানি রাসমণি অ্যাভিনিউতে সভার ডাক দিয়েছে ‘ইউনাইটেড ফোরাম অফ অল আদিবাসী অর্গানাইজেশন’। হাওড়া স্টেশন থেকে মিছিল যাবে ব্রেবোর্ণ রোড ধরে মিছিল যাবে গন্তব্য স্থলে। রানি রাসমণি অ্যাভিনিউতে পৌঁছে ধর্ণা অবস্থানে বসার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। আদিবাসীদের উচ্ছেদ, বন সংরক্ষণ আইন ২০২৩ বাতিল সহ একগুচ্ছ বিষয়ে এই সভা। বিভিন্ন জেলা থেকে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ সকাল থেকেই রাজপথে ভিড় জমিয়েছেন। ফলত  জানজট ধর্মতলা, পার্কস্ট্রিট, চাঁদনি চক সহ একাধিক জায়গায়। দিনের প্রথম ভাগে ভিড়ে, যানজটে ভোগান্তির শিকার হয়েছেন সাধারণ মানুষ। বেলা সাড়ে বারোটা নাগাদও যানজট শহরের নানা রাস্তায়। কেবল স্থলপথে নয়, লঞ্চ যাত্রাতেও ভোগান্তি। ভিড়ের কারণে বেশকিছুক্ষণ বন্ধ রাখা হয়েছিল লঞ্চ পরিষেবা। শুক্রবারের প্রতিবাদ মিছিলে শুক্রবার কলকাতার বুকে উপস্থিত হয়েছে রাজ্যের ৪০টি আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ। । শুক্রবার সকাল ৯টা নাগাদ আচমকাই হাওড়া সেতুতে শুরু হয় অবরোধ। রাস্তার উপর পতাকা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় আদিবাসী সমাজের প্রতিনিধিদের। তাঁদের দাবি, কুড়মি-মাহাতোরা চাইছেন জোর করে তফসিলি জনজাতির তকমা পেতে। রাজনৈতিক মদতও পাচ্ছেন তাঁরা। তারই প্রতিবাদে পথে নেমেছে ‘ইউনাইটেড ফোরাম অফ অল আদিবাসী অর্গানাইজেশন্‌স’। যে সংগঠনের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন আদিবাসী সংগঠন। এ ছাড়া আদিবাসীদের বিরুদ্ধে দমন, পীড়ন এবং উচ্ছেদ বন্ধের দাবি রয়েছে। আদিবাসী সংগঠনের দাবি, তাদের ছাড়া অন্য কাউকে ‘সিডিউল ট্রাইব’-এর মর্যাদা দেওয়া চলবে না এবং নকল এসটি সার্টিফিকেট ইস্যু বন্ধ করতে হবে। ২০০৬ সালের বন্য আইন সারা রাজ্যে চালুর দাবি রয়েছে। এই সকল দাবি নিয়ে শুক্রবার সকালে একটি সভাও রয়েছে তাদের। তাতে যোগ দেওয়ার জন্য বিভিন্ন জেলা থেকে হাওড়া স্টেশনে এসে জড়ো হচ্ছেন আদিবাসীরা। সেখান থেকে তাঁরা নানা প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ছেন। বেশির ভাগ মানুষজনই হাওড়া সেতুর উপর দিয়ে হেঁটে পারাপার হচ্ছেন। এর ফলে দুর্ভোগে পড়েন নিত্যযাত্রীরা। তাঁরা বাস থেকে নেমে পড়তে বাধ্য হন। ক্ষোভ উগরে দেন প্রশাসনের প্রতি। রাজ্য এবং কেন্দ্রের প্রতি বার্তা দিয়ে আন্দোলনকারীরা জানান, ২৯  সেপ্টেম্বর কেবল বাংলার আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ মিছিলে পা মিলিয়েছেন। কিন্তু এই প্রতিবাদ আরও বৃহত্তর আকারে দেখা যাবে ৬ অক্টোবর। অল ইন্ডিয়া আদিবাসী কোঅর্ডিশন কমিটির অ্যাসিসটেন্ট সেক্রেটারি রামলাল টুডু জানান, ৬ অক্টোবর সমগ্র ভারতবর্ষের আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ দিল্লির যন্তর মন্তরে ধর্নায় সামিল হবেন

error: Content is protected !!