```html
Temporary Service Notice

WEBSITE
UNDER MAINTENANCE

We are currently experiencing an internal technical issue with our website.

Our technical team is working to resolve the problem and restore all services as soon as possible.

We sincerely apologize for the inconvenience.
Please check back shortly.
```

রাজ্যের মুকুটে নয়া পালক, সেরার শিরোপা পেল কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে এবং দ্বিতীয় এসএসকেএম, ICMR-এর স্বীকৃতিতে শুভেচ্ছাবার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যের মুকুটে নয়া পালক। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজকে পূর্ব ভারতের সেরা মেডিক্যাল গবেষণা প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি দিল ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)। এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এসএসকেএম হাসপাতাল। সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট শেয়ার করে এ কথা জানিয়েছেন।  এই মুহূর্তে লন্ডন সফরে রয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। সেখান থেকেই তিনি এই বার্তা দিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও লেখেন, ‘আমি সবসময় মনে করে বাংলায় দেশের সেরা স্বাস্থ্য পরিকাঠামো রয়েছে, যা সকলের কাছে মডেল। আমাদের স্বাস্থ্য পরিষেবায় যে বিশ্বাস রয়েছে তা প্রতিষ্ঠিত করল এই স্বীকৃতি। জয় বাংলা।’ উল্লেখ্য, বাংলার হাসপাতাল এই স্বীকৃতি পাওয়ায় খুশি চিকিৎসক মহলও।  গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে রাজ্যের সিনিয়র-জুনিয়র চিকিৎসক এবং চিকিৎসক পড়ুয়াদের নিয়ে আয়োজিত বিশেষ সভায় যোগ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন কেন তিনি স্বাস্থ্য দপ্তরকে নিজের কাছে রাখেন। মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘একটাই কারণে নিজের কাছে স্বাস্থ্য বিভাগ রাখি, কারণ এ ক্ষেত্রে উন্নয়ন রাজ্যের একজন মন্ত্রীর পক্ষে সম্ভব নয়। এটা বিস্তীর্ণ এলাকা।’  রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য আরও সুখবর রয়েছে। সেই কথা জানিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী নিজেই। যক্ষ্মা মুক্ত ভারত অভিযানে পশ্চিমবঙ্গের অসাধারণ ভূমিকার প্রশংসা করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য এবং জনকল্যাণ মন্ত্রক। নিজের ফেসবুক হ্যান্ডলে মমতা লিখেছেন, ”বাংলার জন্য গর্বের মুহূর্ত!  ভারত সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক ১০০ দিনের যক্ষ্মা মুক্ত ভারত অভিযানের আওতায় যক্ষ্মা রাজ্যের অসাধারণ ভূমিকার প্রশংসা করেছে।” তিনি আরও লিখেছেন, ”প্রাথমিক স্তরে শনাক্তকরণই যক্ষ্মা নির্মূলের মূল চাবিকাঠি। স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং সময়োপযোগী হস্তক্ষেপ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বাংলার নিরলস প্রচেষ্টার ফলাফল বাস্তবে দেখা যাচ্ছে। নিবেদিতপ্রাণ স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের প্রতি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা, যারা এটি সম্ভব করে দেখিয়েছেন।” কেন্দ্রপ্রদত্ত শংসাপত্রও ফেসবুকে শেয়ার করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

error: Content is protected !!