```html
Temporary Service Notice

WEBSITE
UNDER MAINTENANCE

We are currently experiencing an internal technical issue with our website.

Our technical team is working to resolve the problem and restore all services as soon as possible.

We sincerely apologize for the inconvenience.
Please check back shortly.
```

চিকিৎসার পর কুলতলির বাঘিনী ছাড়া হল জঙ্গলে

কুলতলির লোকালয় থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে নেতিধোপানির পশ্চিমে চামটার ৫ নম্বর জঙ্গলে ছাড়া হল কুলতলির বাঘিনীকে। চামটা ৫ নম্বর জঙ্গলে বাঘের সংখ্যা কম। সেখানে দুপুর আড়াইটে নাগাদ তাকে খাঁচা মুক্ত করলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার বনকর্মীরা। লঞ্চ থেকে পেল্লায় লাফ দিয়ে লম্বা সাঁতার দেয় বাঘিনী। তারপর ডাঙায় উঠে কোনও দিকে না তাকিয়ে সোজা জঙ্গলের দিকে দৌড়। দক্ষিণ ২৪ পরগনা বিভাগীয় বন আধিকারিক মিলন মণ্ডল বলেন, বাঘকে লোকালয় থেকে অনেক দূরে ছাড়ার নির্দেশ আছে। যে জঙ্গলে বাঘের সংখ্যা কম সেখানেই পশুটিকে ছাড়া হয়েছে। দু’জন চিকিৎসক ফিট ঘোষণা করার পর বাঘটিকে ছাড়ার সিদ্ধান্ত হয়।  ছাড়ার আগে বাঘিনীকে ঘিরে ঘটনার রমরমা কম নয়। বৃহস্পতিবার ভোরে খাঁচায় মোষের মাংসের টোপে বন্দি হয় সুন্দরবনের বাঘিনী। তার আগে ঘাপটি মেরে জঙ্গলে লুকিয়েছিল। তার পায়ের ছাপ দেখে আতঙ্কে ছিল জঙ্গল সংলগ্ন লোকালয়ের বাসিন্দারা। বৃহস্পতিবার প্রায় ৮ কেজি মাংস দেওয়া হয়েছিল খাঁচায়। বন্দি হওয়ার পর বাঘিনীকে নিয়ে যাওয়া হয় বনি ক্যাম্পে। ঝড়খালি থেকে পশু চিকিৎসকরা এসে তার শারীরিক পরীক্ষা করেন। শুক্রবার সকালে ঝড়খালি ব্যাঘ্র পুনর্বাসন কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বাঘিনীকে। সেখানে ৫ কেজি মাংস,  জল খাওয়ানো হয়। তারপর আবার পশু চিকিৎসকরা পরীক্ষা করেন। ফিট ঘোষণা করার পর ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এদিন পাঁচটি লঞ্চ রওনা দেয়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বনবিভাগীয় আধিকারিক মিলন মণ্ডল, সহ আধিকারিক অনুরাগ চৌধুরীর নেতৃত্বে বনকর্মীরা যান চামটা ৫ নম্বর জঙ্গলের দিকে।

error: Content is protected !!