```html
Temporary Service Notice

WEBSITE
UNDER MAINTENANCE

We are currently experiencing an internal technical issue with our website.

Our technical team is working to resolve the problem and restore all services as soon as possible.

We sincerely apologize for the inconvenience.
Please check back shortly.
```

ভোটের মুখে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়ার ইস্যু নিয়ে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সরব কংগ্রেস 

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়ার ইস্যু নিয়ে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সরব হল কংগ্রেস ৷ তাদের অভিযোগ, ভোটের মুখে ষড়যন্ত্র করে কংগ্রেসের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ৷ এই নিয়ে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে কাঠগড়ায় তুলেছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি ৷বৃহস্পতিবার এই ইস্যুতে সরব হওয়ার জন্যই সাংবাদিক বৈঠক ডেকেছিল কংগ্রেস ৷ নয়াদিল্লিতে কংগ্রেসের সদর দফতরে ওই সাংবাদিক বৈঠক হয় ৷ সেখানে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, প্রাক্তন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধি, প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধি সহ জয়রাম রমেশ, অজয় মাকেন ও কেসি বেণুগোপাল ৷ সাংবাদিক বৈঠকে সব শেষে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন রাহুল গান্ধি ৷সেখানে তিনি বলেন, “আমাদের সমস্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়েছে । আমরা প্রচারের কোনও কাজ করতে পারছি না ৷ আমরা আমাদের কর্মীদের সাহায্য করতে পারছি না ৷ আমরা আমাদের প্রার্থীদের সমর্থন করতে পারি না ৷ এটা নির্বাচনী প্রচার শুরুর দু’মাস আগে করা হয়েছে ।’’ তিনি এই নিয়ে নির্বাচন কমিশন ও বিচারব্য়বস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ৷ তাঁর কথায় এই নিয়ে কেউ কিছু বলছে না ৷রাহুল আরও বলেন, “এটি আসলে কংগ্রেসের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বাজেয়াপ্ত করা নয়, এটি ভারতীয় গণতন্ত্রকে ঠান্ডাঘরে পাঠানো । সবচেয়ে বড় বিরোধী দল হিসাবে আমরা কোনও পদক্ষেপ নিতে অক্ষম – আমরা বিজ্ঞাপন বুক করতে পারছি না বা আমাদের নেতাদের কোথাও পাঠাতে পারছি না । এটি একটা আক্রমণ ।’’এর পর এই নিয়ে তিনি আক্রমণ শানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে৷ রাহুল বলেন, ‘‘এটি কংগ্রেস দলের বিরুদ্ধে একটি অপরাধমূলক পদক্ষেপ ৷ প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারা করা একটি অপরাধমূলক পদক্ষেপ… ৷ সুতরাং, ভারত সবচেয়ে বড় গণতন্ত্র, এটা একটা মিথ্যা ধারণা । ভারতে আজ কোনও গণতন্ত্র নেই । ভারতের ২০ শতাংশ মানুষ আমাদের পক্ষে ভোট দেন এবং আমরা কোনও কিছুর জন্য ২ টাকা খরচ করতে পারি না । এটা আমাদের নির্বাচনে পঙ্গু করার জন্য করা হয়েছে । আজ যদি আমাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলি খুলেও দেওয়া হয়, তার পরও বলব ভারতীয় গণতন্ত্রের বিপুল পরিমাণ ঋণের ক্ষতি হল ।”

error: Content is protected !!