```html
Temporary Service Notice

WEBSITE
UNDER MAINTENANCE

We are currently experiencing an internal technical issue with our website.

Our technical team is working to resolve the problem and restore all services as soon as possible.

We sincerely apologize for the inconvenience.
Please check back shortly.
```

আরবিআই ভল্ট থেকে রহস্যজনকভাবে উধাও ৮৮ হাজার কোটিরও বেশি মূল্যের ৫০০ টাকার নোট

রহস্যজনকভাবে উধাও ৮৮ হাজার কোটিরও বেশি মূল্যের ৫০০ টাকার নোট। ভারতীয় অর্থনীতির জন্য যা নিঃসন্দেহে উদ্বেগের। যে ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে আরবিআই-এর ভল্টে নোটের সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে।  অ্যাক্টিভিস্ট মনোরঞ্জন রায়ের তথ্যের অধিকার আইনের (আরটিআই) অধীনে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, ২০১৫-এর এপ্রিল থেকে ২০১৬-র ডিসেম্বর পর্যন্ত নাসিকের ছাপাখানায় নতুন ডিজাইন করা ৫০০ টাকার নোট ৩৭৫.৪৫০ মিলিয়ন নোট ছাপা হয়েছিল। কিন্তু আরবিআই-এর রেকর্ড অনুযায়ী, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে ছাপা নোট মাত্র ৩৪৫.০০০ মিলিয়ন এসে পৌঁছেছে।  যেখানে ট্যাঁকশাল থেকে নতুন ডিজাইন করা ৫০০ টাকার ৮,৮১০.৬৫ মিলিয়ন নোট ছাড়া হয়েছে। আর ওদিকে আরবিআই মাত্র ৭,২৬০ মিলিয়ন পেয়েছে। হিসেব থেকে উধাও বা হারিয়ে যাওয়া এই বিপুল পরিমাণ নোটের মূল্য ৮৮,০৩২.৫ কোটি টাকা।কেউ-ই জানেন না নতুন নকশায় ছাপা এই ১,৭৬০.৬৫ মিলিয়ন ৫০০ টাকার নোট কোথায় গেল! এরমধ্যে ২০১৫-র এপ্রিল থেকে ২০১৬-র মার্চের মধ্যে নাসিকের ট্যাঁকশালে ছাপা ২১০ মিলিয়ন নোটও রয়েছে। যদিও আরবিআই-এর ভল্ট থেকে এরকম রহস্যজনকভাবে নোট উধাওয়ের ঘটনায় মুখ খুলতে রাজি হননি রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মুখপাত্র। আরটিআই-এর ফলে সামনে আসে সত্যি! আরটিআই-এর মাধ্যমে আরও জানা গিয়েছে যে, ভল্টে যে সময়কার নোটের হিসেব মিলছে না, সেইসময় আরবিআই-এর গভর্নর ছিলেন রঘুরাম রাজন। প্রসঙ্গত, তিনটি সরকারি ট্যাঁকশালে ছাপা হয় ভারতীয় নোট। বেঙ্গালুরুর ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক নোট মুদ্রান (পি) লিমিটেড,  নাসিকের কারেন্সি নোট প্রেস এবং দেওয়াসের ব্যাঙ্ক নোট প্রেসে ছাপা হয় সব নোট। ছাপার পর সব নোট পাঠানো হয় আরবিআই ভল্টে। সেখান থেকে ভারতীয় অর্থনীতিতে ছড়িয়ে পড়ে নোটগুলি।

error: Content is protected !!