```html
Temporary Service Notice

WEBSITE
UNDER MAINTENANCE

We are currently experiencing an internal technical issue with our website.

Our technical team is working to resolve the problem and restore all services as soon as possible.

We sincerely apologize for the inconvenience.
Please check back shortly.
```

বিশ্বেশ্বরাইয়া নগরে একই পরিবারের চার সদস্যের দেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

সোমবার বিশ্বেশ্বরাইয়া নগরের একটি অ্যাপার্টমেন্টে একই পরিবারের চার সদস্যের দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ৷ পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের নাম চেতন (45), স্ত্রী রূপালী (43), তাঁদের ছেলে কুশল (15) এবং চেতনের মা প্রিয়ম্বদা (62)। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, চেতন তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিষ খাইয়ে হত্যা করে আত্মহত্যা করেছেন ৷ তবে তাঁদের মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ ৷ তবে চেতনকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে বলেই পুলিশ সূত্রে খবর। মনে করা হচ্ছে, চেতন প্রথমে তাঁর মা, স্ত্রী এবং ছেলেকে বিষ খাওয়ানোর পর আত্মহত্যা করেছেন। জানা গিয়েছে, চেতন হাসান জেলার বাসিন্দা। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, ঋণে জর্জরিত হওয়ার কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তবে সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। পুলিশ কমিশনার সীমা লটকর, ডিসিপি জাহ্নবী এবং বিদ্যারণ্যপুরম থানার ইন্সপেক্টর মোহিত-সহ পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করছেন। বিদ্যারণ্যপুরম থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে পুলিশ কমিশনার সীমা লটকর বলেন, “বিদ্যারণ্যপুরমের সংকল্প অ্যাপার্টমেন্টে একই পরিবারের চার জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা দু’টি পৃথক ফ্ল্যাটে থাকতেন ৷ মা একটিতে থাকতেন আর চেতন, তাঁর স্ত্রী এবং তাঁদের ছেলে অন্যটিতে থাকতেন।” পুলিশের মতে, চেতন মূলত হাসানের বাসিন্দা, আর তাঁর স্ত্রী মাইসুরুর বাসিন্দা। জানা গিয়েছে, চেতন একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ৷ 2019 সালে মাইসুরুতে স্থানান্তরিত হওয়ার আগে তিনি দুবাইতে কাজ করতেন। শ্রমিক ঠিকাদার হিসাবে অনলাইন প্রক্রিয়ায় সৌদি আরবে শ্রমিক পাঠানোর কাজও করতেন চেতন ৷ মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কমিশনার জানান, ফরেনসিক টিম তদন্ত করছে ৷ তাদের মতামত পাওয়ার পরই কী কারণে মৃত্যু জানা যাবে ৷

error: Content is protected !!