```html
Temporary Service Notice

WEBSITE
UNDER MAINTENANCE

We are currently experiencing an internal technical issue with our website.

Our technical team is working to resolve the problem and restore all services as soon as possible.

We sincerely apologize for the inconvenience.
Please check back shortly.
```

কেন্দ্রের বাজেটকে কটাক্ষ করলেন অমিত মিত্র

কেন্দ্রের বাজেট পাশের পরেই তার সমালোচনা করে কড়া ভাষায় টুইট করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের বাজেটকে দিশাহীন বলে কটাক্ষ করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা এবং রাজ্যের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। বাজেট পেশের পরেই তিনি বলেন, ‘‘এই অতিমারিকালে ইংল্যান্ড বা জার্মানির মতো দেশ মানুষের হাতে টাকা দিচ্ছে, যাতে বাজারে চাহিদা বাড়ে । ব্রিটিশ সরকার অতিমারিকালে যাঁরা চাকরি হারিয়েছেন, তাঁদের আগেকার প্রাপ্ত বেতনের ৮০ শতাংশ দিচ্ছে । জার্মানিতে ভাড়া বাড়িতে যাঁরা থাকেন, তাঁদের ভাড়া মকুব করে দিয়েছে সেই দেশের সরকার । ভারতবর্ষে অতিমারিকালে ১.২ কোটি চাকুরীজীবী মানুষ তাঁদের চাকরি হারিয়েছেন । অথচ তাঁদের জন্য বাজেটে কিছুই বলা নেই । তাই এই বাজেট দিশাহীন এবং মিথ্যার স্বপ্নফেরিতে ভরা।’’ কর্পোরেট কর মকুব নিয়েও অমিতবাবু একহাত নেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে । তাঁর কথায়, “গতবছরও কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী কর্পোরেট কর মকুব করেছিলেন । উনি ভেবেছিলেন যে এই কর মকুবের ফলে কর্পোরেট সংস্থাগুলি উদ্বৃত্ত টাকা বিনিয়োগ করবে এবং অর্থনৈতিক অবস্থা চাঙ্গা হবে । কিন্তু কর্পোরেট সংস্থাগুলি তা না করে সেই উদ্বৃত্ত টাকা তাঁদের বুকস অফ প্রফিটে দেখালেন এবং সেই কারণেই এই অতিমারিকালেও কর্পোরেট সংস্থাগুলি রেকর্ড মুনাফা দেখতে পেরেছে ৷’’ এই পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, ‘‘মানুষের হাতে সরাসরি টাকা তুলে দেওয়ার সাহস দেখিয়েছেন মমতা বন্দোপাধ্যায় । সেই টাকা সরাসরি মানুষের হাতে তুলে দেওয়ার ফলে বাজারে একটা চাহিদা বজায় থেকেছে । তাই অতিমারিকালে সারা দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি যখন ৭.৭ শতাংশ নেতিবাচক ছিল, তখন পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতি ১.২ শতাংশ ইতিবাচক ছিল।’’ কেন একে দিশেহারা বলছেন তার ব্যাখ্যায় এই বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ বলেছেন, কোনও নির্দিষ্ট পরিকল্পনা না করে শুধু সরকারি সম্পত্তিকে বিক্রি করে দিতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। এভাবে আর যাই হোক অর্থনীতির হাল ফেরানো যায় না। অমিত মিত্রের ভাষায়, ইতিমধ্যেই রেল বিক্রির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কয়েকটি বিমানবন্দর বিক্রি হয়ে গিয়েছে, এয়ার ইন্ডিয়াও বিক্রির প্রক্রিয়া চলছে। ছটি পোর্টকে বলা হয়েছে পিপিপি মডেল চালানো হবে অর্থাৎ এগুলিকেও বেচে দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই এই সরকার দু‘টি পিএসইউ ব্যাঙ্ক বেচে দিয়েছে। ইনসিওরেন্স বিক্রি করে দেওয়ার প্রয়াস চলছে, এলআইসির আইপিও বিক্রি করে দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই পিএসইউ সংস্থাকে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। যেগুলি হয়নি সেগুলো আরও জোর দিয়ে বিক্রির চেষ্টা হবে। এক্ষেত্রে ডিমান্ড স্টিমুলেশন না করেই ক্রেডিট জোগাড় করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে দাবি অমিত মিত্রের।

error: Content is protected !!