```html
Temporary Service Notice

WEBSITE
UNDER MAINTENANCE

We are currently experiencing an internal technical issue with our website.

Our technical team is working to resolve the problem and restore all services as soon as possible.

We sincerely apologize for the inconvenience.
Please check back shortly.
```

চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে নেমে কী কী করবে বিক্রম ও প্রজ্ঞান! জেনে নিন বিস্তারিত

ফাঁড়া কাটিয়ে সাফল্যের মুখ দেখল চাঁদ-মিশন। ভারতের দিকে তাকিয়ে ছিল সারা বিশ্বও। সেই অপেক্ষা সার্থক হল। প্রতীক্ষার শুভ অবসান ঘটল। চন্দ্রযান ৩-এর ল্যান্ডার বিক্রমের চন্দ্রপৃষ্ঠ স্পর্শ করার কথা ছিল ভারতীয় সময় সন্ধে ৬টা ৪ মিনিটে। প্রাট ৫০ সেকেন্ড আগেই চাঁদে পৌঁছে গেল সে।  ফলে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে প্রথম দেশ হিসেবে পা রাখল ভারত। আপাতত ২০ মিনিট বিশ্রামের পর একটি অংশ স্বয়ংক্রিয় ভাবে খুলে যাবে। একটি ঢালু পথ বেয়েই চাঁদের বুকে বিক্রমের শরীর থেকে বেরিয়ে আসবে রোভার প্রজ্ঞান। এই রোভার প্রজ্ঞানের মধ্যে রয়েছে একাধিক বৈদ্যুতিন যন্ত্রপাতি। রোভারের সঙ্গে থাকবে একাধিক দিকনির্দেশক স্বয়ংক্রিয় ক্যামেরা। চাঁদের মাটিতে অনুসন্ধান চালাবে সে। চাঁদের মাটিতে প্রজ্ঞানই এঁকে দেবে ভারতের জাতীয় পতাকা এবং ইসরোর লোগো। চাঁদের দক্ষিণ মেরুর অনেক কিছুই এখনও মানুষের অজানা। সেই দিকগুলি নিয়েই খোঁজ শুরু করবে রোভার প্রজ্ঞান। কোন কোন উপাদান দিয়ে চাঁদের মাটি তৈরি, তা খতিয়ে দেখে পৃথিবীতে তথ্য পাঠাবে প্রজ্ঞান। আগামী দু’সপ্তাহ ধরে এর স্পেকট্রোমিটার বিশ্লেষণ করবে। এর সাহায্যে চাঁদের মাটিতে কোন ধরনের খনিজ বস্তু আছে তা খুঁটিয়ে দেখবে। এছাড়াও ওই অঞ্চলের আবহাওয়া সম্পর্কেও তথ্য পাঠাবে রোভার প্রজ্ঞান। এই পরীক্ষাগুলি করার জন্য ল্যান্ডার এবং রোভারের সঙ্গে রয়েছে পাঁচ ধরনের বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি। প্রজ্ঞান চাঁদ থেকে যা যা তথ্যসংগ্রহ করবে, তার সব কিছুই পাঠিয়ে দেবে ল্যান্ডার বিক্রম। বিক্রম সেই বার্তা পাঠাবে পৃথিবীতে।

চন্দ্রযান ৩ অবতরণের প্রায় ২০ মিনিট পরে প্রজ্ঞান বেরিয়ে আসবে 

ল্যান্ডারের পেটে রাখা হয়েছে প্রজ্ঞান রোভার। যা অবতরণের প্রায় ১৫ থেকে ৩০  মিনিট পর দরজা খুললেই বেরিয়ে আসবে।  বিক্রম ল্যান্ডারের আকার ৬.৫৬ ফুট x ৬.৫৬ ফুট x ৩.৮২ ফুট। এর চার পা আছে। এর ওজন ১৭৪৯.৮৬ কেজি। গতবারের তুলনায় এবার ল্যান্ডারটিকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে, আরও সেন্সর রয়েছে। যাতে চন্দ্রযান-২-এর মতো দুর্ঘটনা না ঘটে। এবার বিক্রম ল্যান্ডারে কিছু বিশেষ প্রযুক্তি বসানো হয়েছে। যেমন লেজার এবং আরএফ ভিত্তিক অল্টিমিটার, লেজার ডপলার ভেলোসিটোমিটার এবং ল্যান্ডারের অনুভূমিক বেগ ক্যামেরা, লেজার গাইরো ভিত্তিক ইনর্শিয়াল রেফারেন্সিং এবং ল্যান্ডারের অনুভূমিক বেগ ক্যামেরা, লেজার গাইরো ভিত্তিক ইনর্শিয়াল রেফারেন্সিং এবং অ্যাক্সিলোমিটার প্যাকেজ।

error: Content is protected !!