```html
Temporary Service Notice

WEBSITE
UNDER MAINTENANCE

We are currently experiencing an internal technical issue with our website.

Our technical team is working to resolve the problem and restore all services as soon as possible.

We sincerely apologize for the inconvenience.
Please check back shortly.
```

‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রতিমাসে বাংলাই দেয়, মহারাষ্ট্রে মিথ্যে প্রচার করছে’, বিজেপিকে তোপ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

বাংলাতেই শুধুমাত্র প্রতি মাসে মহিলাদের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা দেওয়া হয়। পথ দেখিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ কীভাবে মহিলাদের বাস্তবিকই আত্মনির্ভর করে তোলা যায়, কীভাবে তাদের সশক্তিকরণ করা যায়, তা হাতেকলমে করে দেখিয়েছেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিখ্যাত লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প এখন গোটা দেশেই কার্যত পথপ্রদর্শক৷ বাংলার ভোটপ্রচারে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের সমালোচনা করলেও এখন বিজেপিও এই প্রকল্পকে অনুসরণ করতে বাধ্য হয়েছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে৷ একইরকমভাবে বিরোধী শিবিরের অন্যান্য রাজনৈতিক দলের কাছেও তৃণমূল সুপ্রিমোর লক্ষ্মীর ভান্ডার আজ লাইফলাইনের মতো৷ বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর দেখানো পথে হেঁটেই রবিবার নিজেদের নির্বাচনী ঘোষণাপত্রে মহারাষ্ট্রের মহিলাদের জন্য মাসিক অনুদানের কথা জানালো বিরোধী জোট মহাবিকাশ আঘাড়ি৷ সোমবার বাগডোগরা পৌঁছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ প্রসঙ্গে বলেন, ভোট প্রচারে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে মহারাষ্ট্রে। তিনি স্পষ্ট জানান অন্যান্য রাজ্যে শুধু প্রতিশ্রুতিই দেওয়া হয়, টাকা মেলে না! পাহাড় সফরে এদিন বেলা দেড়টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস । সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নে জবাবে মমতা বলেন, “অন্য কোনও রাজ্যের বিষয়ে কোনও টিপ্পনি কাটতে চাই না। নির্বাচনের আগে এ রকম মন্তব্য করা উচিতও নয়। তবে নিশ্চয়ই চাইব, মানুষ বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট দিন।“ পরে সাড়ে তিনটে নাগাদ বাগডোগরা বিমানবন্দরে পৌঁছে ফের সাংবাদিকরা মহারাষ্ট্রের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চালুর বিষয়ে জানতে চাইলে মমতা কটাক্ষ করে বলেন, “ওটা মিথ্যে! আমি ওটা খুঁজে বার করেছি। কেন মিথ্যে বলছেন আপনারা? রাজ্য সরকার তো তফশিলি জাতি উপজাতির মহিলাদের ১২০০ টাকা দেয়।“ ‘লক্ষ্মীরভাণ্ডার’-এর ধাঁচে মহারাষ্ট্রে কয়েক মাস আগে ‘লাডকি বহিন’ প্রকল্প চালু করে মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন জোট সরকার। এতে মহিলাদের মাসে ১৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হয়। ভোট প্রচারে কোলাপুরে বিজেপির জোটের সভায় শিন্ডে প্রতিশ্রুতি দেন, বিধানসভা ভোটে জিতলে এই ভাতার পরিমাণ বাড়িয়ে ২১০০ টাকা করা হবে। এরপরেই মুম্বইয়ে প্রচারে বিরোধীদের ‘মহা বিকাশ আঘাড়ী’র যৌথ প্রচার মঞ্চ থেকে রাহুল গান্ধী, শরদ পওয়ার, উদ্ধব ঠাকরের প্রতিশ্রুতি তাঁরা ক্ষমতায় এলে ‘মহালক্ষ্মী যোজনা’ চালু করবেন। সেখানে মহিলাদের মাসে ৩ হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী কথায়, মহারাষ্ট্র ২ মাস টাকা দেওয়ার পরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বাংলার মতো পারিবারিক সুরক্ষা প্রকল্প কোথাও চালু নেই। ভারতের অন্য কোনও রাজ্যে লক্ষ্মীর ভান্ডারের মতো মাসে মাসে টাকা দেওয়া হয় না- দাবি মমতার। চারদিনের সফরে পাহাড়ে পৌঁছেছেন মুখ্যমন্ত্রী। দুপুরে বাগডোগরা বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন পাহাড়ের বিভিন্ন উন্নয়ন বোর্ডের প্রতিনিধিরা। পাহাড়বাসীর ঢল নেমেছিল বিমানবন্দর চত্বরে। বাগডোগরা থেকে সড়কপথে কার্শিয়াংয়ের রিচমন্ড হিলের উদ্দেশে রওনা দেন মুখ্যমন্ত্রী।

error: Content is protected !!