```html
Temporary Service Notice

WEBSITE
UNDER MAINTENANCE

We are currently experiencing an internal technical issue with our website.

Our technical team is working to resolve the problem and restore all services as soon as possible.

We sincerely apologize for the inconvenience.
Please check back shortly.
```

মাল নদীতে বিসর্জনে দুর্ঘটনার জের, পুজো কার্নিভাল বন্ধ জলপাইগুড়িতে

দশমীর রাতে মাল নদীতে ঘটে গিয়েছে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ৷ তারপরেই পুজো কার্নিভাল বাতিল করে দিল জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন ৷ জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা বলেন, “গতকাল (বুধবার) হড়পা বানে ৮ জনের মৃত্যুর ঘটনার পর আগামিকালের কার্নিভাল বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে । এই কার্নিভাল জলপাইগুড়ি পৌরসভা এলাকায় হওয়ার কথা ছিল ।”নদীবক্ষে প্রতিমা বিসর্জনের অনুষ্ঠান আয়োজন করেছিল মালবাজার প্রশাসন । নদীর মধ্যে নেমে প্রতিমা নিরঞ্জন করতে গিয়ে হঠাৎ মালনদীর জল বেড়ে যায় ৷ তখন নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে নদী থেকে উঠে আসার চেষ্টা করেন তাঁরা ৷ কিন্তু খরস্রোতা নদীর গতিতে অনেকেই বেসামাল হয়ে নদীতে আছাড় খেয়ে পড়ে গিয়ে জলের তোড়ে ভেসে যান । নদীতে জলের স্রোত এতটাই ছিল যে, কেউ দাঁড়িয়ে থাকতে পারেননি । সে সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে হুড়োহুড়ি না করার আবেদন জানালেও কিছু হয়নি ৷আচমকাই ধেয়ে আসা ওই হড়পা বান কেড়ে নিয়েছে ৮টি তরতাজা জীবন ৷ এখনও হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ১৩ জন ৷ প্রশাসনের দাবি, এমন ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি ৷ তারপরেই কার্নিভাল বন্ধ রাখার অনুরোধ জানিয়ে জেলাশাসককে চিঠি পাঠান জলপাইগুড়ি শহরের বিদ্বজ্জনেরা ৷ চিঠির প্রেরকদের বক্তব্য, ক্ষণিকের এই বিপর্যয়ে যাঁরা প্রিয়জনদের হারিয়েছেন, সেই মানুষগুলির পাশে থেকে তাঁদের দুঃখ, যন্ত্রণা ভাগ করে নেওয়ার সময় ৷ তাই এমন একটা বেদনাদায়ক বিজয়া দশমীর পর জলপাইগুড়িতে এ বছরের মতো দুর্গাপুজোর বিসর্জনের কার্নিভাল বন্ধ রাখা হোক ৷ বিজয়া দশমী দেবী দুর্গাকে বিদায় জানানোর রীতি হলেও একইসঙ্গে দেবীর পুনরায় মর্ত্যে আগমনের অপেক্ষার সূচনাও বটে ৷ তাই এই রীতিতে বিচ্ছেদের বেদনা থাকলেও নতুন করে কিছু শুরু করার আনন্দও থাকে ৷ কারণ, মা আপাতত ফিরে গেলেও আবার ফিরে আসবেন ৷ কিন্তু, বুধবারের দুর্ঘটনায় যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁরা আর কোনও দিনই ফিরে আসবেন না ৷ উৎসবের রেশ কাটতে না কাটতে যে পরিবারগুলি সদস্য হারাল, তাদের যন্ত্রণার কারণ কোনও দিন নির্মূল হবে না ৷ প্রত্যেকেরই বক্তব্য ছিল, জেলায় এক দিকে কান্নার আওয়াজ, অন্য দিকে উৎসব, এটা ভাল দেখায় না । একই সুর শোনা গিয়েছিল জলপাইগুড়ির শহর ব্লক কংগ্রেসের সভাপতি তথা জলপাইগুড়ি পৌরসভার 24 নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অম্লান মুন্সীর গলাতেও ৷ তারপরেই একটি বৈঠক ডাকা হয় জলপাইগুড়ি দেলা প্রশাসনের তরফ থেকে ৷ সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বিষাদে কোনও অনুষ্ঠান নয় ৷

error: Content is protected !!