```html
Temporary Service Notice

WEBSITE
UNDER MAINTENANCE

We are currently experiencing an internal technical issue with our website.

Our technical team is working to resolve the problem and restore all services as soon as possible.

We sincerely apologize for the inconvenience.
Please check back shortly.
```

অবসরের তারিখের উপরেই নির্ভর করে পেনশনারদের সুযোগ-সুবিধা!

পে কমিশনের কোন সুপারিশের সুবিধা অবসরপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় কর্মীরা পাবেন এবং কোনটা পাবেন না, সেটা স্থির করার পূর্ণ অধিকার থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের। পে কমিশনের সুপারিশ কার্যকর হওয়ার আগে ও পরে অবসর নেওয়া কেন্দ্রীয় কর্মীদের পেনশন স্থির হবে তাদের অবসরের তারিখ অনুযায়ী। আর সেই মানদণ্ড নির্ধারণ করার অধিকার রয়েছে সরকারের। লোকসভার পর বৃহস্পতিবার রা‌‌জ্যসভায় অর্থবিল পাশ হয়ে গেল। অর্থাৎ ২০২৫ সালের বাজেট অনুমোদনের সংসদীয় রীতি সম্পূর্ণ। অর্থবিল পাশ হওয়ার প্রক্রিয়ায় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যে সংশোধনী অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এনেছেন সেটি হল, পেনশনারদের আর্থিক সুযোগ সুবিধা দেওয়ার প্রক্রিয়া নির্ধারণ করার অধিকার থাকবে অর্থমন্ত্রকের কাছে। যা নিয়ে বিরোধীরা আশঙ্কা প্রকাশ করছে। লোকসভায় কংগ্রেসের কে সি বেণুগোপাল অর্থবিলের আলোচনায় জানতে চেয়েছিলেন যে, এই সংশোধনীর পিছনে সরকারের গোপন এজেন্ডা কী? পেনশনারদের পে কমিশনের সব সুযোগ সুবিধা কি তাহলে আগামী দিনে দেওয়া হবে না? এটা স্পষ্ট করা হোক। বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় অর্থমন্ত্রী বলেন, ষষ্ঠ পে কমিশনের রিপোর্টেও সুপারিশ করা হয়েছিল, পে কমিশনের সুপারিশ কার্যকর হওয়ার আগে যারা অবসর নেবেন এবং পরে যারা অবসর নেবেন, উভয় প্রকার পেনশনারদের সমান সুযোগ-সুবিধা মিলবে না। পার্থক্য থাকবে। বর্তমান সরকার ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সেই সুপারিশকেই মান্যতা দিচ্ছে। ২০০৮ সালে ইউপিএ সরকারও ওই নিয়মই অনুসরণ করেছে। সেই সময় অবসরের সময়সীমা ধার্য করা হয়েছিল ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারি। অর্থাৎ এই সময়সীমার আগে যারা অবসর নেবে তাদের পেনশন একরকম প্রথায়, আর পরে যারা অবসর নিয়েছেন, তাদের জন্য পৃথক রীতি। সপ্তম পে কমিশন এনেছিল সাদৃশ্য। কিন্তু আমরা এখন সংশোধনী এনে সেই ষষ্ঠ পে কমিশনের সুপারিশকেই গ্রহণ করছি।

error: Content is protected !!