```html
Temporary Service Notice

WEBSITE
UNDER MAINTENANCE

We are currently experiencing an internal technical issue with our website.

Our technical team is working to resolve the problem and restore all services as soon as possible.

We sincerely apologize for the inconvenience.
Please check back shortly.
```

স্ত্রী কামড়ে দিয়েছেন! ভাইরাল SSKM-এর প্রেসক্রিপশন ঘিরে রহস্য, পুলিশের দ্বারস্থ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ

‘গতরাতে স্ত্রী কামড়ে দিয়েছে’—এসএসকেএম হাসপাতালের একটি ওপিডি টিকিটের এমনই ক্লিনিক্যাল নোট ঘিরে সমাজমাধ্যমে শুরু হয়েছে তুমুল চর্চা। শুধু তাই নয়, ওই নোটের ভিত্তিতে চিকিৎসকের পরামর্শ হিসেবে লেখা হয়েছে, ‘বউয়ের থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন।’ ২৫ আগস্ট সকাল থেকেই এসএসকেএমের ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগের ওই ওপিডি টিকিট সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। চিকিৎসকদের মোবাইলেও ঘুরতে থাকে প্রেসক্রিপশনের ছবি। ভাইরাল হওয়া টিকিটে রোগীর বয়স ৫৭ বছর এবং লিঙ্গ পুরুষ হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। সেখানে ‘ওয়াইফ বাইট’ অর্থাৎ স্ত্রী কামড়েছেন বলে লেখা হয়েছে। পাশাপাশি রোগীর ক্ষতস্থান লাল হয়ে ফুলে থাকার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। গ্যাসের সমস্যা, ব্যথা কমানোর ওষুধ এবং ত্বকের সংক্রমণের জন্য ব্যবহৃত মলমও প্রেসক্রাইব করা হয়েছে বলে দেখা যায়। টিকিটে ১৪ আগস্টের তারিখ রয়েছে এবং ওইদিন এসএসকেএমের ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগের ওপিডিতে দায়িত্বে থাকা তিন চিকিৎসকের নামও রয়েছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, সত্যিই কি ওই রোগী হাসপাতালে এসেছিলেন এবং চিকিৎসকই কি এমন পরামর্শ দিয়েছিলেন? এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করে। হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের একাংশের কাছেও এমন কোনও রোগীর বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য মেলেনি। ফলে প্রেসক্রিপশনটি আসল নাকি সাজানো, তা নিয়ে সন্দেহ আরও বাড়ে। চিকিৎসকদের একাংশের প্রাথমিক ধারণা, টিকিটটি কোনও জায়গা থেকে সংগ্রহ করে তাতে ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য যোগ করা হয়ে থাকতে পারে। কেউ কেউ আবার এটি নিছক মজা বা সমাজমাধ্যমে ভাইরাল করার উদ্দেশ্যে তৈরি বলেও মনে করছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে প্রেসক্রিপশনটি তৈরি করা হয়েছে কি না, সেই সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। তবে বিষয়টিকে মোটেই হালকাভাবে নেয়নি এসএসকেএম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ভাইরাল হওয়া প্রেসক্রিপশনের সত্যতা যাচাইয়ের পাশাপাশি এর নেপথ্যে কারা রয়েছে এবং কী উদ্দেশ্যে এমন একটি নথি সমাজমাধ্যমে ছড়ানো হল, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ভবানীপুর থানায় অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ভাইরাল প্রেসক্রিপশনে রোগীর নামের জায়গাটি ঢাকা রয়েছে। ফলে ওই ব্যক্তির পরিচয়ও স্পষ্ট নয়। গোটা ঘটনায় একদিকে যেমন সমাজমাধ্যমে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে, তেমনই অন্যদিকে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি নিয়ে এমন বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুলিশি তদন্তের পরই স্পষ্ট হতে পারে, প্রেসক্রিপশনটি সত্যিই হাসপাতাল থেকে দেওয়া হয়েছিল, নাকি পুরোটাই সাজানো। আপাতত ‘স্ত্রী কামড়েছেন’ লেখা এসএসকেএমের ওই ভাইরাল ওপিডি টিকিট ঘিরেই চলছে জোর চর্চা।

error: Content is protected !!