```html
Temporary Service Notice

WEBSITE
UNDER MAINTENANCE

We are currently experiencing an internal technical issue with our website.

Our technical team is working to resolve the problem and restore all services as soon as possible.

We sincerely apologize for the inconvenience.
Please check back shortly.
```

সেপ্টেম্বরের শুরুতেই পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠকে শুভেন্দু, অনুদান মিলবে কি? জোর চর্চা

দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি নিয়ে সেপ্টেম্বরের শুরুতেই পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আগামী ৭ সেপ্টেম্বর এই বিশেষ বৈঠক হওয়ার কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই। কলকাতা-সহ গোটা রাজ্যের দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি, নিরাপত্তা, প্রশাসনিক ব্যবস্থা এবং পুজো কমিটিগুলির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হতে পারে। তবে বৈঠকের আগে সবচেয়ে বেশি চর্চা শুরু হয়েছে দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে সরকারি অনুদান দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে। তৃণমূল সরকারের আমলে প্রতি বছর দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে আর্থিক অনুদান দেওয়া হত। গত বছর রাজ্যের প্রায় ৪৫ হাজার দুর্গাপুজো কমিটিকে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি বিদ্যুতের বিল, দমকলের ছাড়পত্র-সহ একাধিক ক্ষেত্রেও পুজো কমিটিগুলিকে বিভিন্ন সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। এবার রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর প্রথমবার বিজেপি সরকার দুর্গাপুজো নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল তৈরি হয়েছে। নতুন সরকার পুজো কমিটিগুলিকে আগের মতোই আর্থিক অনুদান দেবে কি না, নাকি নতুন কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, সেই প্রশ্নই এখন সামনে। আগামী ৭ সেপ্টেম্বরের বৈঠকে এ বিষয়ে কোনও গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। দুর্গাপুজো শুধুমাত্র ধর্মীয় উৎসব নয়, বাংলার অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের সঙ্গেও এর গভীর যোগ রয়েছে। পুজোর সময় বিপুল সংখ্যক মানুষ কেনাকাটা, খাওয়াদাওয়া এবং বিভিন্ন বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নেন। পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে পর্যটনের ক্ষেত্রেও পুজোর মরসুম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে নতুন সরকারের কাছে দুর্গোৎসব পরিচালনা ও পুজো কমিটিগুলিকে দেওয়া সুযোগ-সুবিধার বিষয়টিও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। এদিকে পুজোর সময় কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। যানজট নিয়ন্ত্রণ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, ভিড় সামলানো এবং বড় পুজো মণ্ডপগুলির নিরাপত্তার জন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সেপ্টেম্বরের বৈঠকে এই সমস্ত বিষয় নিয়েও প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা দেওয়া হতে পারে। পুজোর আগে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে পুজো কমিটিগুলির এই বৈঠক তাই যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে আর্থিক অনুদান, বিদ্যুৎ, দমকল, নিরাপত্তা এবং পুজো পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকার কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে পুজো উদ্যোক্তাদের।

error: Content is protected !!