```html
Temporary Service Notice

WEBSITE
UNDER MAINTENANCE

We are currently experiencing an internal technical issue with our website.

Our technical team is working to resolve the problem and restore all services as soon as possible.

We sincerely apologize for the inconvenience.
Please check back shortly.
```

সরকারি হাসপাতাল থেকে ওষুধ দেওয়া নিয়ে কড়া নির্দেশ দিল মুখ্যমন্ত্রী

রাজ্যের সর্বস্তরের সরকারি হাসপাতাল থেকে বিনামূল্যের ওষুধ( দেওয়ার ক্ষেত্রে বড় নির্দেশ দিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। সেই নির্দেশ জারি করেছেন রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম। সেই নির্দেশে বলে দেওয়া হয়েছে, এবার থেকে রাজ্যের সব সরকারি হাসপাতাল থেকে যখন কোনও রোগী বা তার পরিজন বিনামূল্যের কোনও ওষুধ নেবেন মেডিসিন স্টোর বা ফার্মাসি থেকে তখন সেই সব বিনামূল্যের ওষুধ দিতে হবে খামে ভরে। প্রত্যেক ধরনের ওষুধ থাকবে আলাদা আলাদা খামে, যেমনটা সচরাচর দেখা যায় বাইরের দোকান থেকে ওষুধ কিনলে। সেই সঙ্গে প্রতিটি খামের গায়ে হাসপাতালের রবার স্ট্যাম্প দিয়ে বাংলায় লিখে দিতে হবে ওষুধের ডোজ। কোন ওষুধ কতটা, কখন, কতবার খাবেন, তাও বাংলায় লিখে দিতে হবে। সেক্ষেত্রে ইংরেজিতে লেখা প্রেসক্রিপশন দুর্বোধ্য হলেও সমস্যা থাকবে না রোগীর বা পরিবারের সদস্যদের। কেন এই নয়া বিধি লাগু করল রাজ্য সরকার? ওয়াকিবহাল মহল বলছে, মূল উদ্দেশ্য হল ‘Medicine Error’ আটকানো। অর্থাৎ ওষুধের নাম, সময়, ডোজ সংক্রান্ত ভুলভ্রান্তি বন্ধ করা। এর ফলে রোগীর সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত হবে। এছাড়া, স্থানীয় ভাষার ব্যবহারও বাড়বে সরকারি ক্ষেত্রে। যদিও এই নিয়ম সার্বিকভাবে চালু করা বেশ কষ্টসাধ্য বলে মানছেন প্রশাসনিক ও ফার্মাসিস্ট মহলের একাংশ। কেননা তাঁদের আশঙ্কা, এর জন্য নিত্যদিন যত খাম লাগবে তা আসবে কোথা থেকে? যোগানই বা দেবে কে? সেই সঙ্গে খাম কিনতে যে বাড়তি খরচ সেটাই বা দেবে কে? তবে তাঁরা বাংলায় লেখার বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছেন। কেননা গ্রাম বাংলার অনেক মানুষই বেশির ভাগ সময় ইংরেজিতে লেখা প্রেসক্রিপশন দুর্বোধ্য শব্দগুলি পড়ে বুঝতে পারেন না। তাঁদের ক্ষেত্রে এই বাংলায় লেখা অনেক সমস্যার সমাধান ঘটিয়ে দেবে। তাঁরা নিজেরাই বুঝতে পারবেন কোন ওষুধ দিনে কতবার, কোন কোন সময়ে, ঠিক কতটা খেতে হবে।

error: Content is protected !!