```html
Temporary Service Notice

WEBSITE
UNDER MAINTENANCE

We are currently experiencing an internal technical issue with our website.

Our technical team is working to resolve the problem and restore all services as soon as possible.

We sincerely apologize for the inconvenience.
Please check back shortly.
```

রাজঘাটে তৃণমূলের নেতা-কর্মী এবং সাংসদদের হটাতে লাঠিচার্জ

রাজঘাটে প্রবল উত্তেজনা। তৃণমূলের সত্যাগ্রহ কর্মসূচি ঘিরে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হল মহাত্মা গান্ধীর সমাধিস্থলে। তৃণমূল কর্মীদের কার্যত তাড়া করে বের করে দিল অমিত শাহের পুলিশ। সাংবাদিক সম্মেলন মাঝপথে ছেড়ে বেরিয়ে যেতে হল অভিষেককে। বুট চাপা খেলেন সুজিত বসু। পুলিশের সঙ্গে বচসা-ধস্তাধস্তি কল্যাণের। লিখিত অনুমতি না থাকলেও মৌখিকভাবে রাজঘাটে তৃণমূলকে শান্তিপূর্ণ অবস্থানের অনুমতি দেয় দিল্লি পুলিশ। অথচ প্রতি ১০ মিনিট অন্তর এসে পুলিশ অবস্থান তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দেয় বলে অভিযোগ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ২ ঘণ্টার সত্যাগ্রহ কর্মসূচি শেষে অভিষেক সাংবাদিক সম্মেলন করছিলেন। কিন্তু, মাঝপথেই পুলিশ তা থামিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন। মাইকে ঘোষণা করা হয়, এলাকা খালি করে দিতে। রীতিমতো বাঁশি বাজিয়ে লাঠি উঁচিয়ে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের রাজঘাট থেকে সরিয়ে দেয় অমিত শাহের পুলিশ। প্রবল উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এলাকায়। সুজিত বসুর অভিযোগ, ‘জুতো খুলে ধরনাস্থলে ঢুকেছিলাম। সেখান থেকে বেরিয়ে দেখি, জুতো যেখানে খুলেছি সেখানে নেই। কোথাও জুতো খুঁজে পাইনি। ভিড়ের মধ্যে বুট দিয়ে আমার পায়ে চাপা দেওয়া হয়। জুতোটা মিসিং ফলে খালি পায়েই বেরিয়ে যেতে হচ্ছে।’ দিল্লির পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘মোদী-শাহের পুলিশের আচরণ সকলেই দেখলেন। এরা বর্বর পুলিশ। বোঝাই যাচ্ছে গুজরাটে কী ভাবে মানুষ খুন করা হতো। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করছিলাম। আমাদের জোর করে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।’ এরপরই পুলিশের সঙ্গে কার্যত ধস্তাধস্তি বেঁধে যায় তৃণমূল সাংসদের। পুলিশকে এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন করেন, ‘কী সমস্যা হচ্ছে?’ জবাবে দিল্লি পুলিশের বক্তব্য, ‘গান্ধী জয়ন্তীতে রাজঘাটে সাধারণ মানুষ আসবেন। তাদের জন্য গেট খুলতে হবে। তাই আন্দোলনকারীদের এলাকা ছেড়ে দিতে হবে।’ পুলিশের সঙ্গে এক প্রস্ত কথা কাটাকাটিও হয় অভিষেকের। তৃণমূল সাংসদ বলেন, ‘আপনারা গেট খুলে দিন। মানুষকে আসতে দিন। আমরা কারও অসুবিধা সৃষ্টি করছি না।’ কিন্তু, দিল্লি পুলিশ সে কথা না শুনে ক্রমাগত বাঁশি বাজিয়ে, লাঠি উঁচিয়ে গোটা এলাকা খালি করে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে লাঠিচার্জ করে।

error: Content is protected !!