```html
Temporary Service Notice

WEBSITE
UNDER MAINTENANCE

We are currently experiencing an internal technical issue with our website.

Our technical team is working to resolve the problem and restore all services as soon as possible.

We sincerely apologize for the inconvenience.
Please check back shortly.
```

‘অ্যান্টি কলিশন ডিভাইস ছিল না কেন করমণ্ডলে’? ফের প্রশ্ন তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আমি রেলমন্ত্রী থাকাকালীন অ্যান্টি কলিসন ডিভাইস লাগাই। অ্যান্টি কলিশন ডিভাইসের কোনও কৃতিত্ব নেই দেশের বর্তমান সরকারের। রেল যাত্রীদের সুরক্ষার জন্য কিছুই করেনি কেন্দ্রীয় সরকার । করমণ্ডল বিভীষিকা দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। এমনই বললেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । তিনি রবিবার সাংবাদিকদের বলেন, ৬২ জন রাজ্য থেকে মারা গিয়েছেন এখনও পর্যন্ত যে তালিকা পেয়েছি। ১৮২টি দেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। আমাদের সময়ে দুর্ঘটনা হলে পরিবারকে চাকরি দিতাম। আমি যখন রেলমন্ত্রী ছিলাম তার আগে লেভেল ক্রসিংয়ে ম্যান ছিল না। আমরা ম্যানের ব্যবস্থা করি। ৪০০ ম্যান লেভেল ক্রসিং করে এসেছিলাম। আমরা অ্যান্টি কলিশন ডিভাইস সিস্টেম করার পর থেকে দুর্ঘটনা কমে গিয়েছে। বর্তমান সরকার রেলকে জলাঞ্জলি দিয়েছে। রেলের জন্য এখন কিছু করা হচ্ছে না। রেল বাজেটও নেই। দুর্ঘটনায় রেলের কোনও সমন্বয় ছিল না। ডাল মে কুছ কালা হ্যায়। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে মৃতদের পাঁচ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। গুরুতর জখমদের ১ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে। শুশ্রুষা করা হবে। অল্প আহত হয়েছেন তাঁদের ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। যাঁরা ট্রমায় আছেন, আহত হননি তাঁদের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ১০ হাজার টাকা করে প্রত্যেককে দেওয়া হবে। আগামী তিন মাস প্রতি পরিবারকে দুহাজার টাকা করে দিয়ে যাওয়া হবে। এদিন তিনি আরও বলেন, পরিবারদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে দেখলাম ভালো করে ওষুধ পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। একটা ঘরের মধ্যে রেখে দিয়েছে। পাখা পর্যন্ত নেই। যাঁরা নিখোঁজ, মৃতদেহ চিহ্নিত হবে, এজন্য ডিএনএ টেস্ট করতে হবে। না হলে রেল ক্ষতিপূরণ দেবে না। 

error: Content is protected !!