কর্নাটকে জৈন সাধুকে খুনের পর মৃতদেহ টুকরো করে নদীতে ফেলার অভিযোগ, গ্রেফতার ২

কর্নাটকের একজন বিখ্যাত জৈন সাধু মুনি কামকুমার নন্দী মহারাজকে খুন করে তাঁর মৃতদেহ টুকরো করে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হল দুজন। ঘটনাটি ঘটেছে বেলাগাভি জেলার চিক্কোডি এলাকায়। শনিবার পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার হরেকোডির নন্দী পর্বতের জৈন বাসাডি এলাকা থেকে নিখোঁজ হন মুনি কামকুমার নন্দী মহারাজ। পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়। এই ঘটনা এখনও পর্যন্ত দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের জেরা করে জানা গেছে, ধৃতরা ওই সাধুকে খুন করে তাঁর দেহ কেটে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। নিখোঁজ সাধু যে আশ্রমে থাকতেন সেখান থেকে কিছু সম্পত্তির কাগজ চুরি গেছে বলে কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানানো হয়েছে।আশ্রমের ঘনিষ্ঠরা জুলাই মাসের পাঁচ তারিখ রাতটা ১০টা নাগাদ ওই সাধু শেষ দেখতে পেয়েছিলেন। ওই সাধু গত ১৫ বছর ধরে জৈন বাসাডিতেই থাকতেন। আচার্য কামাকুমারানন্দী চ্যারিটেবেল ট্রাস্টের প্রেসিডেন্ট ভীমাপ্পা উগারে ওই সাধুর নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ দায়ের করেন চিক্কাডি পুলিশ স্টেশনে। ধৃত দুই ব্যক্তি সাধুকে মারার কথা স্বীকার করলেও মৃতদেহ নষ্ট করা নিয়ে দুজন দুরকমের কথা বলছে। প্রথমে তারা জানায় মৃতদেহটি কাটাকাবাভি গ্রামের একটি কুয়োয় ফেলে দিয়েছে। কিন্তু, সেখানে দেহ পাওয়া যায়নি। পরে তারা জানায় সাধুর দেহ নদীতে ফেলে দিয়েছে।

error: Content is protected !!