```html
Temporary Service Notice

WEBSITE
UNDER MAINTENANCE

We are currently experiencing an internal technical issue with our website.

Our technical team is working to resolve the problem and restore all services as soon as possible.

We sincerely apologize for the inconvenience.
Please check back shortly.
```

অ্যাজমার কারণে কষ্টকর টিয়ার গ্যাস স্টান্ট, তবু হার মানেননি অবিকা গোর! থাইল্যান্ডে প্রবাসী জীবন নিয়েও মুখ খুললেন অভিনেত্রী

ফের ‘Khatron Ke Khiladi 15’-এ নিজের ভয়কে জয় করার চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন অভিনেত্রী অবিকা গোর। স্টান্টভিত্তিক এই রিয়্যালিটি শোয়ে দ্বিতীয়বার অংশ নিচ্ছেন তিনি। Times of India-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে অবিকা জানালেন, এবারের যাত্রায় শারীরিক ও মানসিক—দুই ধরনেরই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে তাঁকে। বিশেষ করে টিয়ার গ্যাস স্টান্ট তাঁর জন্য ছিল অত্যন্ত কঠিন অভিজ্ঞতা।
ছোটবেলা থেকেই অ্যাজমার সমস্যা রয়েছে অবিকার। তাই টিয়ার গ্যাসের মতো স্টান্ট তাঁর ফুসফুসের উপর অন্যদের তুলনায় বেশি প্রভাব ফেলবে, সেটা আগে থেকেই জানতেন অভিনেত্রী। আগের মরশুমে তাঁর এলিমিনেশন স্টান্টের অভিজ্ঞতাও ছিল যথেষ্ট কঠিন। ফলে এবারও স্টান্টটি সামনে আসতেই ভয় ও উত্তেজনা—দুই অনুভূতিই কাজ করেছিল তাঁর মধ্যে।
তবে নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকা জায়গাগুলিতে কোনও খামতি রাখতে চাননি অবিকা। তাঁর কথায়, শারীরিক সীমাবদ্ধতার কারণে কোনও কিছু করা সম্ভব না হলে সেটি মেনে নেওয়া ছাড়া উপায় নেই। কিন্তু যেটুকু তাঁর পক্ষে সম্ভব, সেখানে নিজের ১০০ শতাংশ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন তিনি। বিশেষ করে রুবিনা দিলাইকের সঙ্গে হেলিকপ্টার স্টান্টের কথা বলতে গিয়ে নিজের শারীরিক সক্ষমতার উন্নতিতে গর্ব প্রকাশ করেন অভিনেত্রী।
ওই স্টান্টে কোনও হারনেস ছাড়াই হেলিকপ্টার থেকে বেরিয়ে জালে ওঠা এবং নিজের শরীরের সম্পূর্ণ ওজন হাতের শক্তির সাহায্যে নিয়ন্ত্রণ করার মতো কঠিন কাজ করতে হয়েছিল তাঁকে। কয়েক বছর বা কয়েক মাস আগেও হয়তো এই স্টান্ট করা তাঁর পক্ষে সম্ভব হত না বলেই মনে করেন অবিকা। কিন্তু এবার নিজের ফিটনেস এবং প্রস্তুতির উপর ভরসা করে তিনি চ্যালেঞ্জটি সম্পূর্ণ করেছেন।
‘Khatron Ke Khiladi’-তে অংশ নেওয়ার পিছনে শুধুমাত্র প্রতিযোগিতার বিষয়টি কাজ করে না বলেও জানিয়েছেন অবিকা। তাঁর কাছে এই শোয়ের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ছোটবেলার স্বপ্ন। অভিনেত্রীর কথায়, এই শো তাঁকে তাঁর আট বছর বয়সি সত্তাকে খুশি করার সুযোগ দেয়। সেই কারণেই কাজের ব্যস্ততা থাকা সত্ত্বেও এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না তিনি।
শোয়ে সহ-প্রতিযোগীদের সঙ্গেও এবার নতুনভাবে সম্পর্ক তৈরি হয়েছে অবিকার। জ্যাসমিন ভাসিনের সঙ্গে পুরনো বন্ধুত্ব ফের ফিরে পাওয়া, রুবিনা দিলাইকের কাছ থেকে স্টান্টের সময় সহযোগিতা পাওয়া এবং ঋত্বিক ধনজানি ও করণ ওয়াহির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা—সব মিলিয়ে এবারের অভিজ্ঞতা তাঁর কাছে বিশেষ হয়ে উঠেছে। আগে নিজের ব্যক্তিগত পরিসর খুব সীমিত রাখলেও এবার নতুন মানুষকে জীবনে জায়গা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।
অবিকার জীবনে আরও একটি বড় পরিবর্তন এসেছে থাইল্যান্ডে গিয়ে থাকা শুরু করার পর। অভিনেত্রীর মতে, অন্য দেশে প্রবাসী হিসেবে বসবাসের অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ আলাদা। নতুন সংস্কৃতি, নতুন মানুষ এবং ভিন্ন জীবনযাত্রার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ তাঁকে জীবনের দিকে নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে তাকাতে সাহায্য করেছে। পাশাপাশি মুম্বই ও হায়দরাবাদের পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো এবং পেশাগত কাজের মধ্যেও ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করছেন তিনি।
‘Khatron Ke Khiladi’-র অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে শো থেকে ফেরার পর স্কুবা ডাইভিং এবং স্কাইডাইভিংয়ের সার্টিফিকেশনের জন্যও আবেদন করেছেন অবিকা। তাঁর বক্তব্য, পর্দায় কোনও স্টান্ট করতে না পারলেও বাস্তব জীবনে সেই অভিজ্ঞতাগুলি অর্জন করতে চান তিনি। ভয়কে এড়িয়ে যাওয়ার পরিবর্তে নতুন অভিজ্ঞতাকে গ্রহণ করাই এখন তাঁর লক্ষ্য।

error: Content is protected !!