```html
Temporary Service Notice

WEBSITE
UNDER MAINTENANCE

We are currently experiencing an internal technical issue with our website.

Our technical team is working to resolve the problem and restore all services as soon as possible.

We sincerely apologize for the inconvenience.
Please check back shortly.
```

‘নিরামিষ আন্দোলনে মমতা ভয় পাবে না!’, ফের বিস্ফোরক মন্তব্যে শুভেন্দু অধিকারীর

আন্দোলকারী জুনিয়র ডাক্তারদের ফের আলোচানায় বসার আহ্বান জানানো হয়েছে নবান্নর তরফে। স্বাস্থ্যভবনে বসে থাকা জুনিয়র ডাক্তারদের চিঠি দিয়ে আজ সন্ধে ৬টায় আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিলেন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ।  ফলে জট খোলার একটা সুযোগ তৈরি হয়েছে। এরকম এক অবস্থায় বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার থেকে স্বাস্থ্যভবনে ধরনা দিচ্ছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। লালবাজার অভিযান থেকে স্বাস্থ্যভবনে ধরনা, ধৈর্যের পরীক্ষা দিয়ে চলেছেন জুনিয়র ডাক্তার ও সরকারপক্ষ। কিন্তু এভাবে সরকারকে চাপে ফেলা যাবে না বলেই মনে করেন শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এই নিরামিষ আন্দোলনে সরকার চাপে পড়ে না। এই মমতাকে আমি ভালো চিনি। চাপে পড়েছিলেন একদিন। ওইদিন সকাল ১০টায় নবান্নয় ঢুকে গিয়েছিলেন। কোনওদিন সাধারণত ঢোকেন না। বিরোধী দলনেতা বলেন, মমতাকে নাড়াতে গেলে ২৭ তারিখ নবান্ন অভিযানের মতো করতে হবে। বসে থাকুন না সাতদিন স্বাস্থ্যভবনের ভেতরে। বয়েই গেল। মানুষকে বলব, অপেক্ষা করুন। আমরাও দেখছি। আমরা জানি কী করতে হয়। সমস্ত চাকরিপ্রার্থী সংগঠনগুলোর সঙ্গে কথা হচ্ছে। ঝাঁকিয়ে ঝাঁকিয়ে লোহার ব্যারিকেড ভাঙতে হবে। চাকরি দাও নইলে বাড়ি যাও। শুভেন্দুর ওই মন্তব্য নিয়ে তৃণমূল নেতা অরূপ চক্রবর্তী বলেন, জুনিয়র ডাক্তারদের ওই আন্দোলনে এর আগে অভিজিত্ গঙ্গোপাধ্যায় ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন। তাকে প্রায় ঘাড়ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন আন্দোলনকারীরা। এরপর শুভেন্দু অধিকারী বার্তা পাঠিয়েছিলেন। তাতে জুনিয়র ডাক্তাররা জানিয়েছিলেন তিনি এলে তাঁকেও গো ব্যাক শুনতে হবে। অগ্নিমিত্রা পল চেষ্টা করেছিলেন। তাকেই তাড়া করে ভাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। ডাক্তারদের এই আন্দোলনের প্রতি আমাদের সম্পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। সরকার চায় দ্রুত তদন্ত শেষ হোক। আর জুনিয়র ডাক্তাররা কাজে ফিরুন। আজ নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী বৈঠকের সময় দিয়েছেন। তাতেই আতঙ্কিত শুভেন্দু অধিকারী এসব প্ররোচনা দিচ্ছেন। যদি সত্যি সত্যিই কেউ গ্রেফতার হয়, সমস্যার সমাধান হয় তাহলে শুভেন্দুর হাতে কিছুই থাকবে না। উনি অস্বিত্ব বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন। 

error: Content is protected !!